কোন দেশের টাকার মান কত

হ্যালো বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আশা করি সকলেই খুব ভালো আছেন। আপনারা অনেকেই কোন দেশের টাকার মান কত সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। আজকে আমি আপনাদেরকে কোন দেশের টাকার মান কত সম্পর্কে বলবো। তো চলুন শুরু করা যাক।

কোন দেশের টাকার মান কত

কোন দেশের টাকার মান কত
কোন দেশের টাকার মান কত

কিছু দেশের টাকার মান :

  • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: ১ মার্কিন ডলার = ১০৭.৮৫ বাংলাদেশি টাকা
  • ইউরোপীয় ইউনিয়ন: ১ ইউরো = ১১৯.৭০ বাংলাদেশি টাকা
  • ভারত: ১ ভারতীয় রুপি = ১.৩৪ বাংলাদেশি টাকা
  • যুক্তরাজ্য: ১ পাউন্ড = ১৩৫.৩০ বাংলাদেশি টাকা
  • চীন: ১ চীনা ইউয়ান = ১৬.০৫ বাংলাদেশি টাকা
  • জাপান: ১ জাপানি ইয়েন = ০.৮৩ বাংলাদেশি টাকা
  • সৌদি আরব: ১ সৌদি রিয়াল = ২৮.৪০ বাংলাদেশি টাকা
  • কানাডা: ১ কানাডিয়ান ডলার = ৮২.০০ বাংলাদেশি টাকা
  • অস্ট্রেলিয়া: ১ অস্ট্রেলিয়ান ডলার = ৭৭.৩০ বাংলাদেশি টাকা

কোন দেশের টাকার মান সবচেয়ে বেশি?

কুয়েতের দিনার (KWD) বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মূল্যবান মুদ্রা।

কারণ:

  • প্রচুর তেলের সঞ্চয়: কুয়েত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল উৎপাদনকারী দেশ। তেলের চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে কুয়েতি দিনারের চাহিদাও বৃদ্ধি পায়।
  • স্থিতিশীল অর্থনীতি: কুয়েতের অর্থনীতি দীর্ঘদিন ধরে স্থিতিশীল, যা তাদের মুদ্রার মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে।
  • সীমিত মুদ্রাস্ফীতি: কুয়েতে মুদ্রাস্ফীতির হার কম, যার ফলে দিনারের ক্রয়ক্ষমতা বেশি।

তুলনা:

  • 1 কুয়েতি দিনার = 265 বাংলাদেশি টাকা
  • 1 কুয়েতি দিনার = 3.30 মার্কিন ডলার

অন্যান্য উচ্চমূল্যের মুদ্রা:

  • বাহরাইনি দিনার (BHD)
  • ওমানি রিয়াল (OMR)
  • জর্দানিয়ান দিনার (JOD)
  • ব্রিটিশ পাউন্ড (GBP)

কোন দেশের টাকার বিনিময় হার সবচেয়ে বেশি?

কোন দেশের টাকার বিনিময় হার সবচেয়ে বেশি
কোন দেশের টাকার বিনিময় হার সবচেয়ে বেশি

কোন দেশের টাকার বিনিময় হার সবচেয়ে বেশি – এই প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করে আপনি কোন দিক থেকে বিবেচনা করছেন তার উপর।

মুদ্রার মূল্য অনুসারে:

  • কুয়েতি দিনার (KWD) বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মূল্যবান মুদ্রা।
  • 1 কুয়েতি দিনার = 265 বাংলাদেশি টাকা
  • 1 কুয়েতি দিনার = 3.30 মার্কিন ডলার
আরো পড়ুনঃ  ssc এর পূর্ণরূপ কি

কিন্তু মুদ্রার বিনিময় হার শুধু মুদ্রার মূল্যের উপর নির্ভর করে না, বরং অন্যান্য বিষয়ের উপরও নির্ভর করে, যেমন:

  • দেশের অর্থনীতির শক্তি
  • মুদ্রাস্ফীতির হার
  • রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা
  • আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পরিমাণ

এই বিষয়গুলো বিবেচনা করলে, বর্তমানে সবচেয়ে বেশি বিনিময় হারের কিছু মুদ্রা হল:

  • ব্রিটিশ পাউন্ড (GBP)
  • ইউরো (EUR)
  • মার্কিন ডলার (USD)
  • সুইস ফ্রাঙ্ক (CHF)
  • জাপানি ইয়েন (JPY)

পৃথিবীর ২য় সর্বোচ্চ মুদ্রা কোন দেশের?

পৃথিবীর ২য় সর্বোচ্চ মুদ্রা হল বাহরাইনি দিনার

এক বাহরাইনি দিনার সমান ২.৬৫ মার্কিন ডলার অথবা ২২৪ বাংলাদেশি টাকা

বাহরাইন তেল সমৃদ্ধ দেশ, তাদের অর্থনীতি তেলের উপর নির্ভরশীল। তেলের দাম বৃদ্ধির সাথে সাথে বাহরাইনি দিনারের মূল্যও বৃদ্ধি পায়।

বিশ্বের সর্বোচ্চ মুদ্রা হল কুয়েতি দিনার

এক কুয়েতি দিনার সমান ৩.৩২ মার্কিন ডলার অথবা ২৭৪ বাংলাদেশি টাকা

পাউন্ড ডলারের চেয়ে শক্তিশালী কেন?

আসলে, বর্তমানে (২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বর) পাউন্ড ডলারের চেয়ে দুর্বল

১ ডলার সমান ১.৩২ পাউন্ড

তবে, কিছু ক্ষেত্রে পাউন্ড ডলারের চেয়ে শক্তিশালী হতে পারে।

কারণ:

  • অর্থনীতি: যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির চেয়ে বেশি স্থিতিশীল হতে পারে।
  • মুদ্রাস্ফীতি: যুক্তরাজ্যের মুদ্রাস্ফীতির হার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় কম হতে পারে।
  • রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা: যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় বেশি স্থিতিশীল হতে পারে।
  • আন্তর্জাতিক বাণিজ্য: যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পরিমাণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় বেশি হতে পারে।

কোন দেশের টাকার মান কত

এখানে 2024 সালে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মুদ্রার একটি তালিকা রয়েছে:

  1. কুয়েতি দিনার (KWD)
  2. বাহরাইনি দিনার (BHD)
  3. ওমানি রিয়াল (OMR)
  4. জর্দানিয়ান দিনার (JOD)
  5. ব্রিটিশ পাউন্ড (GBP)

এই মুদ্রাগুলি বিভিন্ন কারণে শক্তিশালী, যার মধ্যে রয়েছে:

  • তাদের নিজ নিজ দেশের শক্তিশালী অর্থনীতি
  • উচ্চ সুদের হার
  • সীমিত মুদ্রাস্ফীতি
  • রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা

আজকের টাকার রেট

আজকের টাকার রেট
আজকের টাকার রেট

মার্কিন ডলার:

  • ১ মার্কিন ডলার = ১০৮.৫০ বাংলাদেশি টাকা

ইউরো:

  • ১ ইউরো = ১২০.০০ বাংলাদেশি টাকা

ভারতীয় রুপি:

  • ১ ভারতীয় রুপি = ১.৩৫ বাংলাদেশি টাকা

ব্রিটিশ পাউন্ড:

  • ১ পাউন্ড = ১৩৭.০০ বাংলাদেশি টাকা

চীনা ইউয়ান:

  • ১ চীনা ইউয়ান = ১৬.২০ বাংলাদেশি টাকা

জাপানি ইয়েন:

  • ১ জাপানি ইয়েন = ০.৮৪ বাংলাদেশি টাকা

সৌদি আরব:

  • ১ সৌদি রিয়াল = ২৮.৫০ বাংলাদেশি টাকা

কানাডা:

  • ১ কানাডিয়ান ডলার = ৮২.৫০ বাংলাদেশি টাকা
আরো পড়ুনঃ  সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র [Best Method]

অস্ট্রেলিয়া:

  • ১ অস্ট্রেলিয়ান ডলার = ৭৭.৫০ বাংলাদেশি টাকা

কোন দেশের টাকার মান সবচাইতে কম

বর্তমানে, ভেনিজুয়েলার টাকার (ভেনিজুয়েলান বলিভার) মান সবচেয়ে কম।

  • ১ মার্কিন ডলার = ৭,৪৬,৩৯,৬৬,৬৬৬.৬৭ ভেনিজুয়েলান বলিভার

এর কারণ:

  • দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক সংকট
  • উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি
  • রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা

অন্যান্য দেশের মুদ্রা যাদের মান খুব কম:

  • ইরান (ইরানিয়ান রিয়াল)
  • লেবানন (লেবানিজ পাউন্ড)
  • জিম্বাবুয়ে (জিম্বাবুয়ান ডলার)
  • সিয়েরা লিওন (সিয়েরা লিওনিয়ান লিওন)

বিশ্বে ভারতীয় টাকার স্থান কত?

বিশ্বে ভারতীয় টাকার স্থান নির্ধারণ করা কঠিন কারণ মুদ্রার মূল্য বিভিন্ন দিক থেকে বিবেচনা করা হয়।

মুদ্রাস্ফীতি:

  • ভারতীয় টাকার মুদ্রাস্ফীতির হার অনেক দেশের তুলনায় বেশি।
  • এর ফলে, ভারতীয় টাকার ক্রয়ক্ষমতা অনেক দেশের তুলনায় কম।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ:

  • ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ অনেক দেশের তুলনায় অনেক বেশি।
  • এর ফলে, ভারতীয় টাকা তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল।

বৈদেশিক লেনদেন:

  • ভারতের বৈদেশিক লেনদেনের পরিমাণ অনেক দেশের তুলনায় কম।
  • এর ফলে, ভারতীয় টাকার আন্তর্জাতিক চাহিদা কম।

মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি):

  • ভারতের জিডিপি অনেক দেশের তুলনায় অনেক বেশি।
  • এর ফলে, ভারতীয় টাকা তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী।

সামগ্রিকভাবে, ভারতীয় টাকা বিশ্বের মধ্যে 15-20 তম স্থানে রয়েছে।

কিছু দেশ যেখানে ভারতীয় টাকার মূল্য বেশি:

  • নেপাল
  • ভুটান
  • শ্রীলঙ্কা
  • মায়ানমার
  • ইন্দোনেশিয়া

কিছু দেশ যেখানে ভারতীয় টাকার মূল্য কম:

  • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  • যুক্তরাজ্য
  • কানাডা
  • অস্ট্রেলিয়া
  • জাপান

বিভিন্ন দেশের টাকার মান কীভাবে নির্ধারিত হয়ে থাকে?

বিভিন্ন দেশের টাকার মান নির্ধারণ করা হয় চাহিদা ও সরবরাহ এর নীতির উপর ভিত্তি করে।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা টাকার মান নির্ধারণে ভূমিকা রাখে:

  • মুদ্রাস্ফীতি:
    • যে দেশের মুদ্রাস্ফীতির হার বেশি, সেই দেশের টাকার মান কম।
  • বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ:
    • যে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেশি, সেই দেশের টাকার মান বেশি।
  • বৈদেশিক লেনদেন:
    • যে দেশের বৈদেশিক লেনদেনের পরিমাণ বেশি, সেই দেশের টাকার চাহিদা বেশি এবং মানও বেশি।
  • মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি):
    • যে দেশের জিডিপি বেশি, সেই দেশের টাকার মান বেশি।
  • রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা:
    • যে দেশের রাজনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল, সেই দেশের টাকার মান বেশি।
  • সুদের হার:
    • যে দেশের সুদের হার বেশি, সেই দেশের টাকার চাহিদা বেশি এবং মানও বেশি।
  • বৈদেশিক বিনিয়োগ:
    • যে দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ বেশি, সেই দেশের টাকার চাহিদা বেশি এবং মানও বেশি।

উল্লেখ্য, টাকার মান স্থির থাকে না, বরং বাজারের চাহিদা ও সরবরাহের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়।

এছাড়াও, কেন্দ্রীয় ব্যাংকও টাকার মান নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আরো পড়ুনঃ  ৯ম ১০ম শ্রেণীর গণিত সমাধান pdf

বাংলাদেশের মুদ্রা হিসেবে ‘টাকা’ কোন তারিখে চালু হয়?

বাংলাদেশের মুদ্রা হিসেবে ‘টাকা’ ১৯৭২ সালের ৪ঠা মার্চ চালু করা হয়।

স্বাধীনতার পর, ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় এবং এপ্রিল মাসে প্রবাসী সরকার গঠন করা হয়। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ বাংলাদেশের ভূমি শত্রু মুক্ত হয়।

স্বাধীনতার পূর্বে পাকিস্তানি রুপি বাংলাদেশে ব্যবহার করা হত। স্বাধীনতার পর, বাংলাদেশ সরকার দ্রুত নতুন মুদ্রা চালু করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে।

১৯৭২ সালের ৪ঠা মার্চ, বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক ১ টাকা এবং ১০০ টাকা মূল্যমানের নোট প্রকাশ করে। এই নোটগুলি ভারতে ছাপানো হয়েছিল।

১৯৭২ সালের ৪ঠা মার্চ কে টাকা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

১০ মিলিয়ন ডলার মানে বাংলাদেশের কত টাকা?

১০ মিলিয়ন ডলার বাংলাদেশি টাকায় কত হবে তা নির্ভর করে বাজারের বিনিময় হারের উপর।

২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বর, বাজারের বিনিময় হার অনুযায়ী ১ মার্কিন ডলার এর দাম ১০৯ টাকা

সুতরাং, ১০ মিলিয়ন ডলার হবে ১০৯ x ১০,০০০,০০০ = ১,০৯০,০০০,০০০ টাকা

মনে রাখবেন, বিনিময় হার স্থির থাকে না, বরং প্রতিদিন পরিবর্তিত হয়।

বাংলাদেশের টাকার মান কিভাবে নির্ধারিত হয়?

বাংলাদেশের টাকার মান চাহিদা ও সরবরাহ এর নীতির উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা টাকার মান নির্ধারণে ভূমিকা রাখে:

  • মুদ্রাস্ফীতি:
    • যে দেশের মুদ্রাস্ফীতির হার বেশি, সেই দেশের টাকার মান কম।
  • বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ:
    • যে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেশি, সেই দেশের টাকার মান বেশি।
  • বৈদেশিক লেনদেন:
    • যে দেশের বৈদেশিক লেনদেনের পরিমাণ বেশি, সেই দেশের টাকার চাহিদা বেশি এবং মানও বেশি।
  • মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি):
    • যে দেশের জিডিপি বেশি, সেই দেশের টাকার মান বেশি।
  • রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা:
    • যে দেশের রাজনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল, সেই দেশের টাকার মান বেশি।
  • সুদের হার:
    • যে দেশের সুদের হার বেশি, সেই দেশের টাকার চাহিদা বেশি এবং মানও বেশি।
  • বৈদেশিক বিনিয়োগ:
    • যে দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ বেশি, সেই দেশের টাকার চাহিদা বেশি এবং মানও বেশি।

উল্লেখ্য, টাকার মান স্থির থাকে না, বরং বাজারের চাহিদা ও সরবরাহের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়।

এছাড়াও, বাংলাদেশ ব্যাংকও টাকার মান নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বাংলাদেশের টাকার মান মার্কিন ডলারের সাথে ভাসমান বিনিময় হার ব্যবস্থার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। এর অর্থ হল মার্কিন ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার বাজারের চাহিদা ও সরবরাহের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক বাজারে হস্তক্ষেপ করে টাকার মানকে স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করে।

কিছু উপায় যার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক টাকার মান নিয়ন্ত্রণ করে:

  • বাজারে ডলার কেনা বা বিক্রি করে
  • সুদের হার পরিবর্তন করে
  • মুদ্রানীতি নিয়ন্ত্রণ করে

পরিশেষে

আমি আশা করছি আপনারা আপনাদের কোন দেশের টাকার মান কত এই প্রশ্নের উওর পেয়েছেন। আশা কররো কিছু জানার থাকলে নিচে কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

আরো পড়ুনঃ পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ প্রধানমন্ত্রী কে

Leave a Comment