গর্ভবতী হওয়ার কতদিন পর বমি হয়

হ্যালো বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আশা করি সকলেই খুব ভালো আছেন। আপনারা অনেকেই গর্ভবতী হওয়ার কতদিন পর বমি হয় সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। আজকে আমি আপনাদেরকে গর্ভবতী হওয়ার কতদিন পর বমি হয় সম্পর্কে বলবো। তো চলুন শুরু করা যাক।

গর্ভবতী হওয়ার কতদিন পর বমি হয়

গর্ভবতী হওয়ার কতদিন পর বমি হয়
গর্ভবতী হওয়ার কতদিন পর বমি হয়

গর্ভবতী হওয়ার ৪ থেকে ৬ সপ্তাহ পর বমি ভাব শুরু হতে পারে। তবে, সকলের ক্ষেত্রে একই রকম হয় না। কারো কারো ১-২ সপ্তাহ পর থেকেই বমি ভাব শুরু হতে পারে, আবার কারো কারো ৮-১০ সপ্তাহ পরেও বমি ভাব শুরু নাও হতে পারে।

কিছু ক্ষেত্রে, গর্ভধারণের আগেই বমি ভাব অনুভূত হতে পারে।

গর্ভবতী হওয়ার পর বমি ভাব কতদিন স্থায়ী হয়?

  • বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, বমি ভাব ১২-১৪ সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
  • কিছু ক্ষেত্রে, গর্ভাবস্থার সময়ের পুরোটা বমি ভাব থাকতে পারে।
  • কিছু ক্ষেত্রে, ১৪ সপ্তাহের পর বমি ভাব কমে যায়।

গর্ভবতী অবস্থায় বমি ভাব কমাতে কিছু টিপস:

  • বারবার অল্প পরিমাণে খাবার খান।
  • শুকনো খাবার, যেমন: বিস্কুট, শুকনো খেজুর, বাদাম, ভুড়ি খান।
  • তেজস্ক্রিয় খাবার, যেমন: মশলাদার খাবার, ভাজা খাবার, তেলযুক্ত খাবার পরিহার করুন।
  • গর্ভবতী অবস্থায় প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন।
  • ঘন ঘন বিশ্রাম নিন।
  • খাবার খাওয়ার পর দ্রুত শুয়ে পড়বেন না।
  • প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

মনে রাখবেন:

  • গর্ভবতী অবস্থায় বমি ভাব একটি স্বাভাবিক ঘটনা।
  • অনেক গর্ভবতী মায়েদেরই বমি ভাব হয়।
  • বমি ভাবের কারণে পানিশূন্যতা দেখা দিলে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

গর্ভবতী হলে কি কি ফল খাওয়া যাবে না?

গর্ভবতী অবস্থায়, সুষম খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বেশিরভাগ ফল গর্ভবতী মায়েদের জন্য উপকারী, তবে কিছু ফল এড়িয়ে চলা উচিত কারণ এগুলো গর্ভবতী মা ও গর্ভের শিশুর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

গর্ভবতী অবস্থায় এড়িয়ে চলার জন্য কিছু ফল:

  • কাঁচা পেঁপে: কাঁচা পেঁপেতে পেপেইন নামক এনজাইম থাকে যা জরায়ু সংকোচন ঘটাতে পারে এবং গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • আনারস: আনারসে ব্রোমেলিন নামক এনজাইম থাকে যা জরায়ুর পেশীগুলোকে নরম করতে পারে এবং গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • আঙুর: আঙুরে রেসভেরাট্রোল নামক যৌগ থাকে যা হরমোনের ভারসাম্যহীনতা তৈরি করতে পারে এবং গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • কামরাঙা: কামরাঙায় অক্সালেট নামক পদার্থ থাকে যা কিডনিতে পাথর তৈরির ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • পেয়ারা: পেয়ারায় ট্যানিন নামক পদার্থ থাকে যা শরীরে আয়রনের শোষণে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
  • আম: আমে অ্যামিগডালিন নামক পদার্থ থাকে যা সায়ানাইডে পরিণত হতে পারে, যা গর্ভবতী মা ও গর্ভের শিশুর জন্য ক্ষতিকর।
  • খেজুর: খেজুরে উচ্চমাত্রায় ফাইবার থাকে যা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা তৈরি করতে পারে।
আরো পড়ুনঃ  পিউটন সিরাপ এর উপকারিতা

গর্ভবতী অবস্থায় খাওয়ার জন্য উপকারী কিছু ফল:

  • সবুজ আপেল: সবুজ আপেলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ফাইবার এবং পটাশিয়াম থাকে যা গর্ভবতী মা ও গর্ভের শিশুর জন্য উপকারী।
  • কলা: কলায় প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে যা গর্ভবতী মায়েদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
  • কমলালেবু: কমলালেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে যা গর্ভবতী মায়েদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
  • স্ট্রবেরি: স্ট্রবেরিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং ফাইবার থাকে যা গর্ভবতী মা ও গর্ভের শিশুর জন্য উপকারী।
  • আঙ্গুর: আঙ্গুরে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম এবং ভিটামিন কে থাকে যা গর্ভবতী মা ও গর্ভের শিশুর জন্য উপকারী।
  • পেঁপে: পাকা পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি এবং ফাইবার থাকে যা গর্ভবতী মা ও গর্ভের শিশুর জন্য উপকারী।

প্রেগনেন্ট হলে কত দিনের মধ্যে বোঝা যায়?

প্রেগনেন্ট হলে কত দিনের মধ্যে বোঝা যাবে তা নির্ভর করে কিছু বিষয়ের উপর।

প্রথম লক্ষণ:

  • মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়া: এটি প্রেগনেন্সির সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ।
  • বমি বমি ভাব: অনেকের ক্ষেত্রে গর্ভধারণের 4-6 সপ্তাহের মধ্যে বমি বমি ভাব দেখা দেয়।
  • স্তনে পরিবর্তন: স্তনে ব্যথা, ফুলে যাওয়া, এবং ভারী ভাব অনুভূত হতে পারে।
  • বারবার প্রস্রাবের বেগ অনুভব করা: গর্ভধারণের 6-8 সপ্তাহের মধ্যে এই লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
  • ক্লান্তি: গর্ভধারণের প্রথম দিকেই অনেক বেশি ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে।

নিশ্চিত হওয়ার উপায়:

  • প্রেগনেন্সি টেস্ট: গর্ভধারণের 10-14 দিন পর প্রস্রাব বা রক্তের পরীক্ষার মাধ্যমে প্রেগনেন্সি টেস্ট করা যায়।
  • ডাক্তারের পরামর্শ: ডাক্তারের পরীক্ষা এবং আল্ট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে আপনি প্রেগনেন্ট কিনা।

কত দিনের মধ্যে বোঝা যাবে:

  • মাসিক বন্ধ হওয়া: আপনার মাসিকের নিয়মিত চক্রের উপর নির্ভর করে।
  • অন্যান্য লক্ষণ: লক্ষণগুলো সবসময় স্পষ্ট নাও হতে পারে এবং ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে।
  • প্রেগনেন্সি টেস্ট: 10-14 দিন পর 99% নির্ভুল ফলাফল পাওয়া যায়।
  • ডাক্তারের পরামর্শ: 10-14 দিন পর ডাক্তারের পরীক্ষা নিশ্চিত ফলাফল দিতে পারে।

গর্ভবতী হওয়ার কতদিন পর মাসিক বন্ধ হয়

গর্ভবতী হওয়ার কতদিন পর মাসিক বন্ধ হয়
গর্ভবতী হওয়ার কতদিন পর মাসিক বন্ধ হয়

গর্ভবতী হওয়ার পর মাসিক বন্ধ হওয়ার সময় নির্ভর করে কয়েকটি বিষয়ের উপর:

১. মাসিক চক্র:

  • যদি আপনার মাসিক চক্র নিয়মিত হয়, তাহলে গর্ভধারণের পর আপনার পরবর্তী মাসিক বন্ধ হওয়ার কথা।
  • যদি আপনার মাসিক চক্র অনিয়মিত হয়, তাহলে গর্ভধারণের পর কতদিন পর মাসিক বন্ধ হবে তা নির্ণয় করা কঠিন।

২. ডিম্বস্ফোটন:

  • গর্ভধারণের জন্য ডিম্বস্ফোটন হওয়া অপরিহার্য।
  • আপনি যদি ডিম্বস্ফোটনের সময় গর্ভধারণ করেন, তাহলে আপনার পরবর্তী মাসিক বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
  • আপনি যদি ডিম্বস্ফোটনের আগে বা পরে গর্ভধারণ করেন, তাহলে আপনার পরবর্তী মাসিক একটু দেরিতে বন্ধ হতে পারে।

৩. গর্ভধারণের পরীক্ষা:

  • গর্ভধারণের পরীক্ষা আপনাকে নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে যে আপনি গর্ভবতী কিনা।
  • গর্ভধারণের পরীক্ষা প্রস্রাব বা রক্তের নমুনা ব্যবহার করে করা যায়।
  • গর্ভধারণের পরীক্ষা গর্ভধারণের 10-14 দিন পর 99% নির্ভুল ফলাফল দিতে পারে।
আরো পড়ুনঃ  যক্ষা রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা

সাধারণত, গর্ভধারণের 4-6 সপ্তাহের মধ্যে মাসিক বন্ধ হয়ে যায়।

তবে, কিছু ক্ষেত্রে, 8 সপ্তাহ পর্যন্ত মাসিক হতে পারে।

আপনার যদি মাসিক বন্ধ না হয়, তাহলে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।

গর্ভবতী মায়ের বমি ভাব দূর করার উপায়

গর্ভাবস্থায় বমি ভাব, বিশেষ করে সকালে, খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। এটি মর্নিং সিকনেস নামে পরিচিত।

কিছু উপায়ে এই বমি ভাব দূর করা সম্ভব:

খাদ্যাভ্যাস:

  • বারবার অল্প অল্প করে খাবার খান।
  • শুকনো খাবার যেমন বিস্কুট, টোস্ট, শুকনা খেজুর, বাদাম ইত্যাদি খান।
  • তেল ও মশলা কম খাবার খান।
  • আদালেবুপুদিনা ইত্যাদি বমি ভাব কমাতে সাহায্য করে।
  • ঠান্ডা ও তরল খাবার খান।
  • প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন।
  • গর্ভবতী মায়েদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি খাবার খান।

জীবনধারা:

  • পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন।
  • ঘুম থেকে দ্রুত উঠবেন না
  • সকালে ঘুম থেকে উঠে কিছু শুকনো খাবার খান
  • গরমের সময় বেশি বাইরে যাবেন না
  • ধোঁয়া ও দুর্গন্ধ এড়িয়ে চলুন।
  • আরামদায়ক পোশাক পরুন।
  • মানসিক চাপ কমাতে চেষ্টা করুন

ঔষধ:

  • বমি ভাব বেশি হলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ খেতে পারেন

কিছু ঘরোয়া উপায় যা বমি ভাব কমাতে সাহায্য করে :

  • আদা চা
  • লেবু পানি
  • মৌরির বীজ
  • আমসত্ত্ব
  • শুকনো আম

গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায়

গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায়
গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায়

গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণগুলি কত দিন পর বোঝা যাবে তা নির্ভর করে কয়েকটি বিষয়ের উপর:

১. গর্ভধারণের সময়:

  • আপনি যদি ডিম্বস্ফোটনের সময় গর্ভধারণ করেন, তাহলে লক্ষণগুলি দ্রুত দেখা দিতে পারে।
  • আপনি যদি ডিম্বস্ফোটনের আগে বা পরে গর্ভধারণ করেন, তাহলে লক্ষণগুলি দেরিতে দেখা দিতে পারে।

২. হরমোনের পরিবর্তন:

  • গর্ভধারণের পর হরমোনের পরিবর্তন লক্ষণগুলির জন্য দায়ী।
  • কিছু মহিলা অন্যদের তুলনায় হরমোনের পরিবর্তনের প্রতি বেশি সংবেদনশীল
  • সংবেদনশীল মহিলাদের দ্রুত লক্ষণগুলি দেখা দিতে পারে।

৩. লক্ষণগুলির তীব্রতা:

  • কিছু মহিলার লক্ষণগুলি তীব্র হয়, অন্যদের লক্ষণগুলি হালকা হয়।
  • তীব্র লক্ষণগুলি দ্রুত বোঝা যায়।
  • হালকা লক্ষণগুলি বোঝা কঠিন হতে পারে।

সাধারণত, গর্ভধারণের 10-14 দিন পর লক্ষণগুলি দেখা দিতে পারে।

কিছু সাধারণ লক্ষণগুলি হল:

  • মাসিক বন্ধ: এটি গর্ভধারণের সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ।
  • বমি বমি ভাব: এটি সকালে বেশি হয়।
  • স্তনের পরিবর্তন: স্তন স্পর্শকাতর এবং বড় হতে পারে।
  • ক্লান্তি: অতিরিক্ত ক্লান্তি অনুভব করতে পারেন।
  • মাথা ঘোরা: মাথা ঘোরা বা চোখে অন্ধকার দেখা দিতে পারে।
  • মেজাজের পরিবর্তন: মেজাজের দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে।
  • বারবার প্রস্রাব: বারবার প্রস্রাব করতে হতে পারে।

আপনার যদি এই লক্ষণগুলির মধ্যে কোনটি দেখা দেয়, তাহলে গর্ভধারণের পরীক্ষা করুন।

পিরিয়ড মিস হওয়ার আগে গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ

পিরিয়ড মিস হওয়া গর্ভধারণের সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ হলেও, এর আগেও কিছু লক্ষণ দেখা দিতে পারে যা গর্ভধারণের ইঙ্গিত দিতে পারে।

আরো পড়ুনঃ  দাউদের সবচেয়ে ভালো মলম

কিছু সম্ভাব্য লক্ষণ:

১. বমি বমি ভাব:

  • সকালে ঘুম থেকে উঠে বমি বমি ভাব হওয়া (মর্নিং সিকনেস) গর্ভধারণের একটি সাধারণ লক্ষণ
  • কিছু ক্ষেত্রে দিনের অন্য সময়  বমি হতে পারে

২. স্তনে পরিবর্তন:

  • স্তন বেশি সংবেদনশীলব্যথা যুক্ত এবং ফুলে যাওয়া অনুভূত হতে পারে
  • স্তনবৃন্তের আশেপাশের অঞ্চল গাঢ় বর্ণের হতে পারে

৩. বারবার প্রস্রাবের ইচ্ছা:

  • গর্ভধারণের প্রথম দিকে বারবার প্রস্রাবের ইচ্ছা হতে পারে

৪. ক্লান্তি:

  • অস্বাভাবিক ভাবে ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে

৫. হালকা রক্তপাত:

  • কিছু ক্ষেত্রে গর্ভধারণের কয়েক দিন পরে হালকা রক্তপাত হতে পারে

৬. মাথাব্যথা:

  • মাথাব্যথা গর্ভধারণের একটি সাধারণ লক্ষণ হতে পারে

৭. খিদে অরুচি পরিবর্তন:

  • কিছু খাবারের প্রতি অরুচি এবং নতুন কিছু খাবারের প্রতি আকাঙ্ক্ষা হতে পারে

৮. মেজাজের পরিবর্তন:

  • হরমোনের পরিবর্তনের কারণে মেজাজের পরিবর্তন হতে পারে

৯. গন্ধের প্রতি সংবেদনশীলতা:

  • গর্ভধারণের সময় গন্ধের প্রতি সংবেদনশীলতা বেড়ে যেতে পারে

১০. বমি বমি ভাব:

  • কিছু ক্ষেত্রে বমি বমি ভাব এবং গা গোলানো অনুভূত হতে পারে

গর্ভবতী হওয়ার কতদিন পর পেট বড় হয়

গর্ভবতী হওয়ার কতদিন পরে পেট বড় হয় তা নির্ভর করে বেশ কিছু বিষয়ের উপর

সাধারণত:

  • প্রথম বার গর্ভবতী হলে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহের মধ্যে পেট বড় হতে শুরু করে
  • দ্বিতীয় বা তার বেশি বার গর্ভবতী হলে পেট তুলনামূলক দ্রুত বড় হতে শুরু করে

অন্যান্য কারণ যা পেট বড় হওয়ার সময় প্রভাবিত করতে পারে:

  • শরীরের গঠন
  • ওজন
  • পেশির পরিমাণ
  • গর্ভে শিশুর সংখ্যা
  • অ্যামনিয়োটিক ফ্লুইডের পরিমাণ

কিছু ক্ষেত্রে ১২ সপ্তাহের আগে পেট বড় হতে শুরু করতে পারে এবং কিছু ক্ষেত্রে ১৬ সপ্তাহের পরেও পেট তেমন বড় নাও হতে পারে

পেট বড় হওয়ার সাথে সাথে নিম্নলিখিত পরিবর্তন গুলো দেখা দিতে পারে :

  • পেটে খিঁচুনি
  • পেটে ব্যথা
  • পেটে গ্যাস

পরিশেষে

আমি আশা করছি আপনারা আপনাদের গর্ভবতী হওয়ার কতদিন পর বমি হয় এই প্রশ্নের উওর পেয়েছেন। আরো কিছু জানার থাকলে নিচে কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
আরো পড়ুনঃ  পিরিয়ডের আগে সাদা স্রাব গর্ভাবস্থার লক্ষণ

Leave a Comment