বাংলাদেশে ল্যাপারোস্কপিক অপারেশন খরচ কত

হ্যালো বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আশা করি সকলেই খুব ভালো আছেন। আপনারা অনেকেই বাংলাদেশে ল্যাপারোস্কপিক অপারেশন খরচ কত সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। আজকে আমি আপনাদেরকে বাংলাদেশে ল্যাপারোস্কপিক অপারেশন খরচ কত সম্পর্কে বলবো। তো চলুন শুরু করা যাক।

বাংলাদেশে ল্যাপারোস্কপিক অপারেশন খরচ কত

বাংলাদেশে ল্যাপারোস্কপিক অপারেশন খরচ বিভিন্ন কারণের উপর নির্ভর করে, যার মধ্যে রয়েছে:

  • অস্ত্রোপচারের ধরন এবং জটিলতা
  • রোগীর অবস্থা
  • হাসপাতাল বা ক্লিনিক
  • চিকিৎসকের অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা

সাধারণত, বাংলাদেশে ল্যাপারোস্কপিক অপারেশনের খরচ নিম্নরূপ:

  • পিত্তথলির পাথর অপসারণ: ৳৩০,০০০-৳৫০,০০০

  • হার্নিয়ায় অপারেশন: ৳১০,০০০-৳২০,০০০

  • এপেন্ডিসাইটিস অপারেশন: ৳২০,০০০-৳৩০,০০০

  • অ্যাপেন্ডিক্সের টিউমার অপসারণ: ৳৩০,০০০-৳৫০,০০০

  • কোলোরেক্টাল ক্যান্সার অপারেশন: ৳১০০,০০০-৳১৫০,০০০

সরকারি হাসপাতালে ল্যাপারোস্কপিক অপারেশনের খরচ সাধারণত বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় কম হয়। তবে, সরকারি হাসপাতালে ল্যাপারোস্কপিক অস্ত্রোপচারের জন্য অপেক্ষার সময় বেশি হতে পারে।

ল্যাপারোস্কপিক অপারেশনের আগে, রোগীদের অবশ্যই তাদের চিকিৎসকের সাথে খরচ নিয়ে আলোচনা করা উচিত।

ল্যাপারোস্কপি কি?

ল্যাপারোস্কপি কি

ল্যাপারোস্কপি হল একটি অস্ত্রোপচারের পদ্ধতি যাতে উদর বা শ্রোণিতে কয়েকটি ছোট ছিদ্র তৈরি করে অপারেশন করা হয়। এই ছিদ্রগুলির মাধ্যমে একটি ল্যাপারোস্কোপ (একটি পাতলা, নমনীয় নল যার সাথে একটি ক্যামেরা এবং আলোর উৎস থাকে) প্রবেশ করানো হয়। ল্যাপারোস্কোপের মাধ্যমে অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসক অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলি দেখতে এবং অস্ত্রোপচার করতে পারেন।

ল্যাপারোস্কপির অনেক সুবিধা রয়েছে। এটি একটি কম আক্রমণাত্মক পদ্ধতি, যার ফলে কম ব্যথা, কম জটিলতা এবং দ্রুত পুনরুদ্ধার হয়। এটি একটি উন্নত দৃশ্যমানতা প্রদান করে, যা অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসককে আরও সঠিক এবং সুনির্দিষ্টভাবে কাজ করতে দেয়।

ল্যাপারোস্কপির কিছু সাধারণ ব্যবহারের মধ্যে রয়েছে:

  • পিত্তথলির পাথর অপসারণ
  • হার্নিয়া অপারেশন
  • এপেন্ডিসাইটিস অপারেশন
  • ডিম্বাশয়ের সিস্ট অপসারণ
  • জরায়ুর ফিব্রয়েড অপসারণ
  • কোলন ক্যান্সার অপারেশন

ল্যাপারোস্কপির জন্য সাধারণত হাসপাতালে 1-2 দিনের ভর্তি প্রয়োজন হয়। অপারেশনের পরে, রোগীদের সাধারণত হালকা ব্যথা এবং অস্বস্তি অনুভব হয়। ব্যথা নিরাময়ের জন্য ওষুধ দেওয়া হয়।

ল্যাপারোস্কপির কিছু ঝুঁকি রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:

  • সংক্রমণ
  • রক্তপাত
  • অস্ত্রোপচারের স্থানে জটিলতা
  • অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি

ল্যাপারোস্কপির জন্য যোগ্যতা নির্ধারণের জন্য রোগীদের অবশ্যই তাদের চিকিৎসকের সাথে কথা বলতে হবে।

ল্যাপারোস্কপি কেন করা হয়

ল্যাপারোস্কপি কেন করা হয়

ল্যাপারোস্কপি বিভিন্ন কারণে করা যেতে পারে। কিছু সাধারণ কারণ হল:

  • অস্ত্রোপচার: ল্যাপারোস্কপি বিভিন্ন ধরণের অস্ত্রোপচারের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন পিত্তথলির পাথর অপসারণ, হার্নিয়া অপারেশন, এপেন্ডিসাইটিস অপারেশন, ডিম্বাশয়ের সিস্ট অপসারণ, জরায়ুর ফিব্রয়েড অপসারণ, এবং কোলন ক্যান্সার অপারেশন।
  • রোগ নির্ণয়: ল্যাপারোস্কপি অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলি পরীক্ষা করতে এবং রোগ নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, ল্যাপারোস্কপি বন্ধ্যত্বের কারণ নির্ণয় করতে, এন্ডোমেট্রিওসিস নির্ণয় করতে, এবং পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (পিসিওএস) নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হতে পারে।
  • অন্যান্য উদ্দেশ্য: ল্যাপারোস্কপি অন্যান্য উদ্দেশ্যেও ব্যবহৃত হতে পারে, যেমন অন্ত্রের আন্দোলন পরীক্ষা করা, বা তরল বা গ্যাস অপসারণ করা।
আরো পড়ুনঃ  জিনসেং সিরাপ এর অপকারিতা

ল্যাপারোস্কপির অনেক সুবিধা রয়েছে। এটি একটি কম আক্রমণাত্মক পদ্ধতি, যার ফলে কম ব্যথা, কম জটিলতা এবং দ্রুত পুনরুদ্ধার হয়। এটি একটি উন্নত দৃশ্যমানতা প্রদান করে, যা অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসককে আরও সঠিক এবং সুনির্দিষ্টভাবে কাজ করতে দেয়।

ল্যাপারোস্কপির কিছু ঝুঁকি রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:

  • সংক্রমণ
  • রক্তপাত
  • অস্ত্রোপচারের স্থানে জটিলতা
  • অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি

ল্যাপারোস্কপির জন্য যোগ্যতা নির্ধারণের জন্য রোগীদের অবশ্যই তাদের চিকিৎসকের সাথে কথা বলতে হবে।

বাংলাদেশে ল্যাপারোস্কপিক অপারেশন কোথায় করা হয়?

বাংলাদেশে ল্যাপারোস্কপিক অপারেশন বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে করা হয়। কিছু জনপ্রিয় হাসপাতাল যেখানে ল্যাপারোস্কপিক অপারেশন করা হয় সেগুলি হল:

  • সরকারি হাসপাতাল:
    • ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
    • স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
    • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল
    • চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
    • রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
  • বেসরকারি হাসপাতাল:
    • ল্যাবএইড হাসপাতাল
    • আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
    • এভারকেয়ার হাসপাতাল
    • স্কয়ার হাসপাতাল
    • ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

ল্যাপারোস্কপিক অপারেশনের জন্য কোন হাসপাতাল বা ক্লিনিক সবচেয়ে ভালো তা রোগীর অবস্থা এবং চাহিদার উপর নির্ভর করে। রোগীদের অবশ্যই তাদের চিকিৎসকের সাথে কথা বলতে হবে এবং তাদের জন্য সবচেয়ে ভালো বিকল্পটি খুঁজে বের করতে হবে।

ল্যাপারোস্কপিক অপারেশনের জন্য রোগীদের অবশ্যই নিম্নলিখিত বিষয়গুলি বিবেচনা করতে হবে:

  • অস্ত্রোপচারের ধরন এবং জটিলতা: কিছু ধরণের অস্ত্রোপচার অন্যদের তুলনায় বেশি জটিল। জটিল অস্ত্রোপচারের জন্য, রোগীদের অভিজ্ঞ এবং দক্ষ চিকিৎসক এবং নার্সদের দ্বারা পরিচালিত হাসপাতালে চিকিৎসা করা উচিত।
  • রোগীর অবস্থা: রোগীর বয়স, স্বাস্থ্যের অবস্থা, এবং অন্যান্য চিকিৎসার অবস্থা বিবেচনা করতে হবে।
  • হাসপাতালের সুযোগ-সুবিধা: হাসপাতালটিতে ল্যাপারোস্কপিক অস্ত্রোপচারের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং সুযোগ-সুবিধা থাকা উচিত।
  • খরচ: ল্যাপারোস্কপিক অপারেশনের খরচ বিভিন্ন কারণের উপর নির্ভর করে। রোগীদের অবশ্যই খরচ সম্পর্কে আগে থেকেই খোঁজখবর নিতে হবে।

ল্যাপারোস্কপিক অপারেশনের জন্য রোগীদের অবশ্যই তাদের চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করতে হবে এবং তাদের জন্য সবচেয়ে ভালো বিকল্পটি খুঁজে বের করতে হবে।

ইন্ডিয়ায় ল্যাপারোস্কপিক অপারেশন খরচ

ইন্ডিয়ায় ল্যাপারোস্কপিক অপারেশন খরচ

ভারতে ল্যাপারোস্কপিক অপারেশনের খরচ বিভিন্ন কারণের উপর নির্ভর করে, যার মধ্যে রয়েছে:

  • অস্ত্রোপচারের ধরন এবং জটিলতা: কিছু ধরণের অস্ত্রোপচার অন্যদের তুলনায় বেশি জটিল। জটিল অস্ত্রোপচারের জন্য, খরচ বেশি হবে।
  • রোগীর অবস্থা: রোগীর বয়স, স্বাস্থ্যের অবস্থা, এবং অন্যান্য চিকিৎসার অবস্থা খরচকে প্রভাবিত করতে পারে।
  • হাসপাতালের অবস্থান এবং সুযোগ-সুবিধা: শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত হাসপাতালগুলিতে খরচ বেশি হতে পারে। হাসপাতালগুলিতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং সুযোগ-সুবিধা থাকলে খরচ বেশি হবে।
  • চিকিৎসকের অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা: অভিজ্ঞ এবং দক্ষ চিকিৎসকের দ্বারা পরিচালিত অস্ত্রোপচারের খরচ বেশি হবে।
আরো পড়ুনঃ  পিউটন সিরাপ এর উপকারিতা

সাধারণভাবে, ভারতে ল্যাপারোস্কপিক অপারেশনের খরচ নিম্নরূপ:

  • পিত্তথলির পাথর অপসারণ: রুপি 50,000-1,00,000
  • হার্নিয়ায় অপারেশন: রুপি 10,000-50,000
  • এপেন্ডিসাইটিস অপারেশন: রুপি 20,000-50,000
  • ডিম্বাশয়ের সিস্ট অপসারণ: রুপি 20,000-50,000
  • জরায়ুর ফিব্রয়েড অপসারণ: রুপি 50,000-1,00,000
  • কোলন ক্যান্সার অপারেশন: রুপি 1,00,000-2,00,000

ভারতে ল্যাপারোস্কপিক অপারেশনের জন্য অনেকগুলি হাসপাতাল এবং ক্লিনিক রয়েছে। রোগীদের অবশ্যই তাদের চিকিৎসকের সাথে কথা বলতে হবে এবং তাদের জন্য সবচেয়ে ভালো বিকল্পটি খুঁজে বের করতে হবে।

ইন্ডিয়ায় ল্যাপারোস্কপিক অপারেশনের জন্য কিছু জনপ্রিয় হাসপাতাল এবং ক্লিনিক হল:

  • অ্যাপোলো হাসপাতাল
  • Fortis হাসপাতালে
  • ম্যাক্স হাসপাতালে
  • নারায়ণ স্বাস্থ্যকেন্দ্র
  • আর্টস হাসপাতাল

এই হাসপাতালগুলিতে অভিজ্ঞ এবং দক্ষ চিকিৎসক এবং নার্স রয়েছেন। তারা ল্যাপারোস্কপিক অস্ত্রোপচারের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং সুযোগ-সুবিধাও সরবরাহ করে।

বাংলাদেশে হার্নিয়া ল্যাপারোস্কপিক অপারেশন খরচ কত

বাংলাদেশে হার্নিয়া ল্যাপারোস্কপিক অপারেশনের খরচ বিভিন্ন কারণের উপর নির্ভর করে, যার মধ্যে রয়েছে:

  • অস্ত্রোপচারের ধরন: ইনগুইনাল হার্নিয়া, ফেমোরাল হার্নিয়া, এবং ইনসিসনাল হার্নিয়া সহ বিভিন্ন ধরণের হার্নিয়া রয়েছে। অস্ত্রোপচারের ধরন খরচকে প্রভাবিত করতে পারে।
  • হার্নিয়ার আকার: হার্নিয়া যত বড় হবে, অস্ত্রোপচার তত বেশি জটিল হবে এবং খরচও বেশি হবে।
  • হাসপাতালের অবস্থান এবং সুযোগ-সুবিধা: শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত হাসপাতালগুলিতে খরচ বেশি হতে পারে। হাসপাতালগুলিতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং সুযোগ-সুবিধা থাকলে খরচ বেশি হবে।
  • চিকিৎসকের অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা: অভিজ্ঞ এবং দক্ষ চিকিৎসকের দ্বারা পরিচালিত অস্ত্রোপচারের খরচ বেশি হবে।

সাধারণভাবে, বাংলাদেশে হার্নিয়া ল্যাপারোস্কপিক অপারেশনের খরচ নিম্নরূপ:

  • ইনগুইনাল হার্নিয়া: ৳১০,০০০-৳২০,০০০
  • ফেমোরাল হার্নিয়া: ৳২০,০০০-৳৩০,০০০
  • ইনসিসনাল হার্নিয়া: ৳২০,০০০-৳৪০,০০০

সরকারি হাসপাতালে ল্যাপারোস্কপিক অপারেশনের খরচ সাধারণত বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় কম হয়। তবে, সরকারি হাসপাতালে ল্যাপারোস্কপিক অস্ত্রোপচারের জন্য অপেক্ষার সময় বেশি হতে পারে।

ল্যাপারোস্কপিক হার্নিয়া অপারেশনের আগে, রোগীদের অবশ্যই তাদের চিকিৎসকের সাথে খরচ নিয়ে আলোচনা করা উচিত।

ল্যাপারোস্কপিক সার্জন বাংলাদেশ

বাংলাদেশে অনেক ল্যাপারোস্কপিক সার্জন রয়েছেন। তাদের মধ্যে কিছু জনপ্রিয় সার্জন হলেন:

  • ডা. আব্দুল করিম, এমবিবিএস, এফসিপিএস (সার্জারী), ডিএলও (সার্জারী), সহযোগী অধ্যাপক, সার্জারী বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
  • ডা. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, এমবিবিএস, এফসিপিএস (সার্জারী), এমএস (সার্জারী), সহযোগী অধ্যাপক, সার্জারী বিভাগ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
  • ডা. আবু সাঈদ মো. মনিরুল ইসলাম, এমবিবিএস, এফসিপিএস (সার্জারী), এমএস (সার্জারী), সহকারী অধ্যাপক, সার্জারী বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল
  • ডা. মো. শরিফুল ইসলাম, এমবিবিএস, এফসিপিএস (সার্জারী), এমএস (সার্জারী), সহকারী অধ্যাপক, সার্জারী বিভাগ, ল্যাবএইড হাসপাতাল
  • ডা. মো. আশরাফুল আলম, এমবিবিএস, এফসিপিএস (সার্জারী), এমএস (সার্জারী), সহকারী অধ্যাপক, সার্জারী বিভাগ, আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

এই সার্জনরা বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে ল্যাপারোস্কপিক অপারেশন পরিচালনা করেন। তারা বিভিন্ন ধরণের ল্যাপারোস্কপিক অপারেশনে দক্ষ, যার মধ্যে রয়েছে পিত্তথলির পাথর অপসারণ, হার্নিয়া অপারেশন, এপেন্ডিসাইটিস অপারেশন, ডিম্বাশয়ের সিস্ট অপসারণ, এবং জরায়ুর ফিব্রয়েড অপসারণ।

আরো পড়ুনঃ  ডায়াবেটিস কত হলে মানুষ মারা যায়

ল্যাপারোস্কপিক সার্জন নির্বাচন করার সময়, রোগীদের অবশ্যই নিম্নলিখিত বিষয়গুলি বিবেচনা করতে হবে:

  • সার্জনের অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা: সার্জনকে অবশ্যই ল্যাপারোস্কপিক অপারেশনে অভিজ্ঞ এবং দক্ষ হতে হবে।
  • সার্জনের যোগ্যতা: সার্জনকে অবশ্যই ল্যাপারোস্কপিক অপারেশনের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।
  • হাসপাতালের সুযোগ-সুবিধা: হাসপাতালটিতে ল্যাপারোস্কপিক অপারেশনের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং সুযোগ-সুবিধা থাকা উচিত।

রোগীদের অবশ্যই তাদের চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করতে হবে এবং তাদের জন্য সবচেয়ে ভালো ল্যাপারোস্কপিক সার্জন নির্বাচন করতে হবে।

বাংলাদেশে বন্ধ্যাত্ব খরচের জন্য ল্যাপারোস্কোপি

বাংলাদেশে বন্ধ্যাত্ব খরচের জন্য ল্যাপারোস্কোপির খরচ বিভিন্ন কারণের উপর নির্ভর করে, যার মধ্যে রয়েছে:

  • অস্ত্রোপচারের ধরন: ডিম্বাশয়ের সিস্ট অপসারণ, এন্ডোমেট্রিওসিস অপসারণ, এবং জরায়ুর ফিব্রয়েড অপসারণ সহ বিভিন্ন ধরণের বন্ধ্যাত্বের জন্য ল্যাপারোস্কোপি করা যেতে পারে। অস্ত্রোপচারের ধরন খরচকে প্রভাবিত করতে পারে।
  • অস্ত্রোপচারের জটিলতা: অস্ত্রোপচার যদি জটিল হয়, তাহলে খরচ বেশি হবে।
  • হাসপাতালের অবস্থান এবং সুযোগ-সুবিধা: শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত হাসপাতালগুলিতে খরচ বেশি হতে পারে। হাসপাতালগুলিতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং সুযোগ-সুবিধা থাকলে খরচ বেশি হবে।
  • চিকিৎসকের অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা: অভিজ্ঞ এবং দক্ষ চিকিৎসকের দ্বারা পরিচালিত অস্ত্রোপচারের খরচ বেশি হবে।

সাধারণভাবে, বাংলাদেশে বন্ধ্যাত্ব খরচের জন্য ল্যাপারোস্কোপির খরচ নিম্নরূপ:

  • ডিম্বাশয়ের সিস্ট অপসারণ: ৳৩০,০০০-৳৫০,০০০
  • এন্ডোমেট্রিওসিস অপসারণ: ৳৫০,০০০-৳১,০০,০০০
  • জরায়ুর ফিব্রয়েড অপসারণ: ৳১,০০,০০০-৳২০০,০০০

সরকারি হাসপাতালে ল্যাপারোস্কোপিক অপারেশনের খরচ সাধারণত বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় কম হয়। তবে, সরকারি হাসপাতালে ল্যাপারোস্কপিক অস্ত্রোপচারের জন্য অপেক্ষার সময় বেশি হতে পারে।

বন্ধ্যাত্ব খরচের জন্য ল্যাপারোস্কোপির আগে, রোগীদের অবশ্যই তাদের চিকিৎসকের সাথে খরচ নিয়ে আলোচনা করা উচিত।

বন্ধ্যাত্বের জন্য ল্যাপারোস্কোপি একটি কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি। এটি বন্ধ্যাত্বের কারণ নির্ণয় করতে এবং চিকিৎসা করতে সাহায্য করতে পারে। ল্যাপারোস্কোপির মাধ্যমে বন্ধ্যাত্বের কারণ নির্ণয় করা গেলে, সেই কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা করা যেতে পারে। এতে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

বাংলাদেশে বন্ধ্যাত্ব একটি সাধারণ সমস্যা। প্রতি ৫ জোড়া দম্পতির মধ্যে ১ জোড়া বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় ভোগে। বন্ধ্যাত্বের অনেক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে কিছু কারণ হল:

  • পুরুষের প্রজনন সমস্যা: পুরুষের শুক্রাণুর সংখ্যা কম, অক্ষমতা, বা অস্বাভাবিকতা বন্ধ্যাত্বের কারণ হতে পারে।
  • নারীর প্রজনন সমস্যা: ডিম্বাশয়ের সমস্যা, জরায়ুর সমস্যা, বা টিউব বন্ধ থাকা বন্ধ্যাত্বের কারণ হতে পারে।
  • অন্যান্য কারণ: অন্যান্য কিছু কারণের কারণেও বন্ধ্যাত্ব হতে পারে, যেমন থাইরয়েড সমস্যা, ডায়াবেটিস, বা হরমোন সমস্যা।

বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় অনেকগুলি পদ্ধতি রয়েছে। এর মধ্যে ল্যাপারোস্কোপি একটি কার্যকর পদ্ধতি। ল্যাপারোস্কোপির মাধ্যমে বন্ধ্যাত্বের কারণ নির্ণয় করা গেলে, সেই কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা করা যেতে পারে। এতে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

উপসংহার

আমি আশা করছি আপনারা আপনাদের বাংলাদেশে ল্যাপারোস্কপিক অপারেশন খরচ কত এই প্রশ্নের উওর পেয়েছেন। আরো কিছু জানার থাকলে নিচে কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

আরো পড়ুনঃ শরীর হাত পা জ্বালা পোড়ার কারন ও প্রতিকার

Leave a Comment